Posts

Showing posts from September, 2018
তেল দিয়ে স্বর্ণকে প্রতিষ্ঠাপন ও সৌদির মুনাফিকী (আমেরিকান সাম্রাজ্যের গোপন ইতিহাস) . ১৯৬৭ সালের ছয় দিনের যুদ্ধে সাড়া দিতে গিয়ে মিশর ও সিরিয়া যুগপৎভাবে ইসরাইলের উপর ১৯৭৩ সালের ৬ই অক্টোবরে আক্রমণ করে বসে। দিনটি ছিল 'ইয়োম কিপুর' তথা ইয়াহুদিদের পবিত্রতম ধর্মীয় ছুটির দিন। রণকৌশলগত দিক বিচারে নিজে নড়বড়ে অবস্থায় আছে এটা পুরোপুরি জেনেও মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত সৌদি আরবের বাদশাহ ফয়সালকে চাপ দিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে একটু ভিন্নতরভাবে আঘাত হানার- যেটাকে আনোয়ার সাদাত নিজেই উল্লেখ করেন "তেল অস্ত্র" হিসেবে। অক্টোবরের ১৬ তারিখে সৌদি আরব এবং পারস্য উপসাগরীয় অঞ্ছলের অন্য চারটি আরবদেশ ঘোষণা দিলো তেলের দাম ৭০% বাড়িয়ে দেয়ার। ইরানও ইসলামিক সংহতি প্রকাশে এই উদ্যোগে যোগ দিল। . সৌদি তেলের বিক্রয় মূল্য লাফিয়ে উঠলো নতুন রেকর্ড মার্কে; ১৯৭৪ সালের পহেলা জানুয়ারিতে তা আকাশমুখী হয়ে উঠলো। মিডিয়া সতর্কবাণী উচ্চারিত করে জানান দিলো যে, এই ধাক্কায় মার্কিন অর্থনীতি পতনের দ্বারপ্রান্তে উপনিত হয়েছে। সারাদেশের গ্যাসস্টেশনের সামনে দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর যানবাহনের লাইন দাঁড়িয়ে গেল; অপরদিকে, অর্...

normal

বাংলাদেশের ইতিহাসে একাত্তরের গুরুত্ব অপরিসীম। ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ শাসন অবসানের মাত্র ২৩ বছরে বাংলাদেশীরা দু’টি ভিন্ন পরিচয় পেয়েছে। এতো স্বল্প সময়ে এরূপ পরিচিতি পরিবর্তনের ইতিহাস মানব-ইতিহাসে বিরল। পূর্বের পরিচয়টি ছিল বিশ্বের সর্ববৃহৎ মুসলিম রাষ্ট্র পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ নাগরিক রূপে। আজকের বাংলাদেশ তখন পরিচিত ছিল পাকিস্তানের সর্ববৃহৎ প্রদেশ পূর্ব পাকিস্তান রূপে। ব্রিটিশের গোলামী থেকে স্বাধীনতা প্রাপ্তির দিনটি ছিল ১৪ই আগষ্ট, ১৯৪৭ সাল। বাংলাদেশ তার বর্তমান পরিচিতি পায় একাত্তরে; এবং সেটি পশ্চিম পাকিস্তান থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার কারণে। তবে একাত্তরে বাংলাদেশীদের শুধু পরিচিতি ও মানচিত্র পাল্টে যায়নি, পাল্টে গেছে তাদের চিন্তা-চেতনা, ইতিহাস, মূল্যবোধ ও রাজনৈতিক রঙ্গমঞ্চের অনেক কিছুই। ১৯৪৭’য়ে স্বাধীনতা যুদ্ধের মূল যোদ্ধা ছিলেন উপমহাদেশের মুসলিমগণ; প্রধান ভূমিকায় ছিল বাঙালী মুসলিমগণ। স্বাধীনতা অর্জনের সে লড়ায়ে অন্য ধর্ম ও অন্য দেশের লোকদের কোন দখলদারি ছিলনা। কিন্তু একাত্তরের পট পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ নায়ক রূপে আবির্ভুত হয়েছে ভারতীয় হিন্দুগণ –যারা প্রবল শত্রু ছিল ১৯৪৭’য়ের স্বাধীনতার। তাদের সাহায্য ছ...

নিজের পরিবর্তনে ৮ অভ্যাস

নতুন অভ্যাস তৈরি করা বেশ কঠিন কাজ। প্রতিদিন একই কাজ করতে করতে আমাদের অভ্যাস তৈরি হয়। হুট করেই নতুন অভ্যাস তৈরি করা কঠিন। ফোর্বস সাময়িকীতে এমনই ১০টি অভ্যাসের কথা প্রকাশিত হয়েছে, যা টুকরো অভ্যাস হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব। পরিকল্পনা করা শিখুন আমরা পরিকল্পনা ছাড়াই কাজ করতে অভ্যস্ত। পরিকল্পনা করা শিখতে হবে। কাগজে-কলমে লিখে পরিকল্পনা করা শিখতে হবে। ক্যারিয়ার বা জীবন নিয়ে পরিকল্পনা করুন। কাগজে লিখে পরিকল্পনা তৈরি করুন। শরীরের যত্ন নিন কাজের অজুহাতে আমরা শরীরের যত্ন নিই না। নিজের শরীরের যত্ন নিতে শিখুন। ইতিবাচক অভ্যাস গড়ে তুলতে প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস করুন। হালকা যোগব্যায়াম প্রতিদিনের রুটিনের সঙ্গে যুক্ত করুন। নিজের মানসিক অবস্থা, শারীরিক অবস্থা ও আবেগ নিয়ন্ত্রণের অভ্যাস গড়ে তুলুন। অন্যদের কথা শুনুন আমরা সাধারণত নিজেকে প্রকাশ করতেই বেশি আগ্রহ প্রকাশ করি। অন্যের আবেগ কিংবা কথা আমরা গুরুত্ব দিই না। প্রতিদিন অন্যদের কথা শোনার অভ্যাস করুন। অন্যরা কী বলছে আর কী বলছে না, তা গুরুত্ব দিয়ে শুনুন। কথা শুনে চিন্তা করুন। নতুন ধারণা গ্রহণে উৎসাহী হোন আমরা প্রতিদিন...
Image
ইলুমিনাতি: গোপনীয়তা ভাঙ্গলেন এক সদস্য কে বি আনিস  ৪:১৭ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৯, ২০১৭   Share পৃথিবীর সবচেয়ে গোপনীয় এবং শক্তিশালী সংগঠন হিসেবে অনেকে ইলুমিনাতি’র কথা বলে থাকেন। যেখানে নাকি বিশ্বের শক্তিধর দেশগুলোর গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা ব্যক্তিরা সদস্য হিসেবে রয়েছেন। কারও কারও মতে শয়তানের উপাসক এই সংগঠন নির্ধারণ করে পৃথিবীর ভবিষ্যত। নিয়ন্ত্রণ করে বর্তমান প্রেক্ষাপট। যদিও ইলুমিনাতি’র অস্তিত্ব আদৌ রয়েছে কিনা তা এক রহস্য। অনেকে বলে থাকেন, গুপ্ত সংগঠনটি ১৭৭৬ সালের ১ মে ব্যাভারিয়া তে অ্যাডাম ওয়েইশপ্টের হাত ধরে প্রতিষ্ঠা পায়। যা নাকি অতি প্রাচীনকালেও বিদ্যমান ছিল। ইলুমিনাতি শব্দের অর্থ "ধর্মীয় বিষয়ে বিশেষ জ্ঞান সম্পন্ন কোনো দল"। ক্যাথলিক খ্রিষ্টানদের কাছে অবশ্য ইলুমিনাতিরা ষড়যন্ত্রকারী হিসেবেই বিবেচিত হয়। অনেকের মতে এরা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থা গড়ে তোলার নীল নকশা নিয়ে কাজ করছে। আধুনিককালে ড্যান ব্রাউনের লেখা ‘এঞ্জেল্‌স অ্যান্ড ডিমনস’ উপন্যাস প্রকাশের পর সংগঠনটি আবারও আলোচনায় আসে। সম্প্রতি সেই গুপ্ত সংগঠনের সদস্য হিসেবে এক ব্যক্তি নিজ...
Image
গুপ্তসঙ্ঘ ইলুমিনাতির অজানা ইতিহাস ইলুমিনাতি। নামটার সাথে পরিচিত নয় এমন পাঠক পাওয়া যাবে না। যেখানেই আছে রহস্য কিংবা চক্রান্তের গন্ধ সেখানেই যেন ইলুমিনাতিকে খুঁজে পায় অনেকে। ষড়যন্ত্রতত্ত্ব আর ইলুমিনাতি যেন একই মুদ্রার দুটো পিঠ। কিন্তু কী এই ইলুমিনাতি? কীভাবেই বা তারা এলো? কতটুকই বা কঠিন বাস্তব আর কতটুকুই বা কল্পনা? চলুন ঘুরে আসি এই সিক্রেট সোসাইটির জগৎ থেকে! Angels & Demons বইতে ইলুমিনাতির কল্পিত অ্যাম্বিগ্রাম ঘটনার শুরু বলা চলে জার্মানির দক্ষিণপূর্বের রাজ্য ব্যাভারিয়াতে। ব্যাভারিয়া আবার জার্মানির বৃহত্তম রাজ্য (যার রাজধানী মিউনিখ)। সেখানের ইঙ্গলস্ট্যাড ইউনিভার্সিটির খ্রিস্টীয় আইন ও ব্যবহারিক দর্শনবিদ্যার  প্রফেসর ছিলেন অ্যাডাম ওয়েইশপ্ট [Adam Weishaupt] (1748–1830)। ইউনিভার্সিটি তখন সম্পূর্ণই জেসুইট প্রভাবে, অর্থাৎ পুরোই খ্রিস্টীয় আইনকানুন মেনে চলে। যে কেউ যার কিনা খ্রিস্টধর্মের প্রতি আনুগত্য কিছুটা কম তাকেই পোহাতে হত নানা সমস্যা। অ্যাডাম তখন চিন্তা করলেন এমন এক গুপ্ত সংঘের যার মাধ্যমে তিনি “আলোকায়ন” (এনলাইটেনমেন্ট) করতে পারবেন। আর এ গুপ্ত সংঘের সদস্য হবেন এ...

Iluminati

Image
ইলুমিনাতি কী? `ইলুমিনাতি’ একটি রহস্যপূর্ণ গোপন সংগঠন যার সদস্যবৃন্দের মধ্যে রয়েছেন বিশ্বের ক্ষমতাধর ব্যাংকার, রাজনীতিবিদ এবং বিশ্ব মিডিয়ার রাঘব বোয়ালগন।  ইলুমিনাতি একটি গুপ্তসভা যা বিশ্বের সকল দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি এবং মিডিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। এদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে ক্রমবর্ধমান শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে দেশে দেশে অত্যাচারী সরকার ব্যবস্থা কায়েম করে দেশ ও জাতি নির্বিশেষে মানুষের ধর্মীয়, মানবিক, সামাজিক এমনকি ব্যক্তিগত অস্তিত্বের উপর নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করা। ইলুমিনাতি মূলত বিভিন্ন শক্তিশালী ধর্মীয় সংগঠন, রাজনৈতিক সংগঠন এবং সরকার ব্যবস্থার মধ্যে অনুপ্রবেশ করে এবং মিডিয়া ও অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান সমূহের মালিকানা এবং কর্তৃত্ব গ্রহণ করে বিশ্বকে ধ্বংসের দিকে এগিয়ে নিতে সর্বোচ্চ চেষ্টায় লিপ্ত থাকে।  তাদের কর্মকান্ডের মাধ্যমে বিশ্বের প্রায় প্রধান প্রধান যুদ্ধ সংগঠিত হয়েছে এবং সম্ভবত ভবিষ্যতে আরও হবে। বিশ্বের নানা ধরণের বিপ্লব, অর্থনৈতিক মন্দার জন্য মূলত এরাই দায়ী।  এমনকি সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ৯/১১ এর জন্যও এদেরকে দায়ী করা হয়।  চলমান `সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ’ও দেশে দেশে পুলিশি ...