ইলুমিনাতি: গোপনীয়তা ভাঙ্গলেন এক সদস্য
কে বি আনিস ৪:১৭ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৯, ২০১৭

পৃথিবীর সবচেয়ে গোপনীয় এবং শক্তিশালী সংগঠন হিসেবে অনেকে ইলুমিনাতি’র কথা বলে থাকেন। যেখানে নাকি বিশ্বের শক্তিধর দেশগুলোর গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা ব্যক্তিরা সদস্য হিসেবে রয়েছেন। কারও কারও মতে শয়তানের উপাসক এই সংগঠন নির্ধারণ করে পৃথিবীর ভবিষ্যত। নিয়ন্ত্রণ করে বর্তমান প্রেক্ষাপট। যদিও ইলুমিনাতি’র অস্তিত্ব আদৌ রয়েছে কিনা তা এক রহস্য।
অনেকে বলে থাকেন, গুপ্ত সংগঠনটি ১৭৭৬ সালের ১ মে ব্যাভারিয়া তে অ্যাডাম ওয়েইশপ্টের হাত ধরে প্রতিষ্ঠা পায়। যা নাকি অতি প্রাচীনকালেও বিদ্যমান ছিল। ইলুমিনাতি শব্দের অর্থ "ধর্মীয় বিষয়ে বিশেষ জ্ঞান সম্পন্ন কোনো দল"।
ক্যাথলিক খ্রিষ্টানদের কাছে অবশ্য ইলুমিনাতিরা ষড়যন্ত্রকারী হিসেবেই বিবেচিত হয়। অনেকের মতে এরা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থা গড়ে তোলার নীল নকশা নিয়ে কাজ করছে। আধুনিককালে ড্যান ব্রাউনের লেখা ‘এঞ্জেল্স অ্যান্ড ডিমনস’ উপন্যাস প্রকাশের পর সংগঠনটি আবারও আলোচনায় আসে।
সম্প্রতি সেই গুপ্ত সংগঠনের সদস্য হিসেবে এক ব্যক্তি নিজেকে দাবি করেছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রভাবশালী সেই ব্যক্তি জানিয়েছেন, দীর্ঘ ৪৭ বছর ধরে ইলুমিনাতি সংঘে তিনি যুক্ত ছিলেন। তবে ক্রমাগত চাপের কারণে সেই সংঘ তিনি ত্যাগ করেন।

সেই ব্যক্তি দাবি করেন, ইলুমিনাতি সংঘে আসলেই বিশ্বের বাঘা বাঘা ব্যক্তিরা জড়িত রয়েছেন। যারা পৃথিবীর ভবিষ্যত নিজেদের দখলে রাখতে ক্রমাগত কাজ করে চলেছেন। শয়তানের উপাসক সংগঠনের সেই ব্যক্তিরা যাতে পৃথিবীর উপর দখলদারিত্ব চালাতে না পারে সে জন্যেই বাধ্য হয়ে তিনি মুখ খুলেছেন।
লুসিফার (শয়তান) উপাসকদের অনেকের পরিচয়ও জানেন বলে দাবি করেন সেই ব্যক্তি। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে সে সব নাম প্রকাশ না করলেও সেই ব্যক্তি জানান, সেই সব সদস্যের মধ্যে বিশ্বের ক্ষমতাধর ব্যাংকার, রাজনীতিবিদ এবং বিশ্ব মিডিয়ার রাঘব বোয়ালগন রয়েছেন। মূলত এরা বিভিন্ন শক্তিশালী ধর্মীয় ও রাজনৈতিক সংগঠন এবং সরকার ব্যবস্থার মধ্যে অনুপ্রবেশ করেছেন। এছাড়া মিডিয়া ও অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিকানা এবং কর্তৃত্ব গ্রহণ করে বিশ্বকে ধ্বংসের দিকে এগিয়ে নিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছেন।
সেই ব্যক্তির দাবি, ঘটনাপ্রবাহ ভালো করে সবাই দেখলেই পৃথিবীর উপর এই গোষ্ঠীর প্রভাবের বিষয়টি পরিস্কার বোঝা যাবে। তিনি বলেন, ইলুমিনাতি’র সদস্য হোক কিংবা না হোক। যারা সংগঠনের সিদ্ধান্তের বিপরীতে কাজ করবে তারাই পদ কিংবা জীবন খোয়াবে। যেমনটা এর আগেও ঘটেছে।
Comments
Post a Comment