ইসলামের দৃষ্টিতে পহেলা বৈশাখ
যারা পহেলা বৈশাখ পালন
করবে শরীয়ত অনুযায়ী তাদের
ফায়সালা কি ?
আগামীকালকে যারা পহেলা
বৈশাখ পালন করবে অর্থাৎ-
১) পহেলা বৈশাখকে হালাল
মনে করবে
২) কাউকে পহেলা বৈশাখ
উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানাবে
৩) কোন স্থনে মেলা হলে
দেখতে যাবে
৪) পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে
ব্যবসায় পণ্যে ছাড় দিবে
৫) পহেলা বৈশাখের পণ্য ছাড়
পেয়ে তা গ্রহণ করা।
৬) পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে
বাসা/ হোস্টেলে ভালো
খাবারের ব্যবস্থা করা।
৭) ইলিশ-পান্তা খাবে
৮) পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে খুশি
প্রকাশ করবে
৯) নতুন জামা কাপড় ক্রয় করবে
১০) ফেইস পেইন্টিং বা উল্কি
আকবে
১১) অমঙ্গলশোভাযাত্রা/
র্যালিতে অংশগ্রহণ করবে
১২) সরকারি ছুটি পেয়ে তা
ভালো হয়েছে এমন মনে করবে
১৩) শুকরিয়া আদায় করবে, দান-
সদকা করা
১৪) অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে বা
অংশগ্রহণ করবে,
১৫) পহেলা বৈশাখকে কাছ থেকে
অথবা দূর থেকে সাপোর্ট
করবে,মৌন সম্মতি দিবে,
১৬) বোনাস-ভাতা গ্রহণ করবে
১৭) পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে গান
গাবে।
শরীয়ত অনুযায়ী তাদের
ফায়সালা তারা শিরক করে
মুরতাদের পরিণত হবে। মুরতাদের
ফয়সালা মোতাবেক-
ক) তাদের জিন্দেগীর সমস্ত নেক
আমল বরবাদ হয়ে যাবে,
খ) বিয়ে করলে বিয়ে ফাসেদ হয়ে
যাবে, সন্তান অবৈধ হবে,
গ) ওয়ারিশ সত্ত্ব বাতিল হয়ে
যাবে,
ঘ) মৃত্যুর পর দাফন-কাফন-
জানাজা পড়ানো যাবে না, কেউ
জানাজা পড়লে সেও মুরতাদ হয়ে
যাবে,
ঙ) মুসলমানের কবরে দাফন
করানো যাবে না, কুকুর শৃগালের
মত গর্তে পুতে ফেলতে হবে,
চ) খিলাফত থাকলে তওবার জন্য
তিন দিন , নয়ত তার শাস্তি
মৃত্যুদণ্ড হবে।
বলাবাহুল্য এই শাস্তি শুধু
দুনিয়ার জন্য, পরকালে তার জন্য
অপেক্ষা করছে অনন্তকালের জন্য
জাহান্নামের কঠিন শাস্তি।
মনে রাখতে হবে--মহান আল্লাহ
তায়ালা সমস্ত গুনাহ মাফ করেন,
কিন্তু শিরকের গুনাহ মাফ করেন
না, আর পহেলা বৈশাখ বা মঙ্গল
শোভাযাত্রা হচ্ছে সেই শিরকী
গুনাহ।
Comments
Post a Comment